1. live@dainikbhangarzamin.com : দৈনিক ভাঙ্গার জমিন : দৈনিক ভাঙ্গার জমিন
  2. info@www.dainikbhangarzamin.com : দৈনিক ভাঙ্গার জমিন :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৮; দুই পক্ষের মামলা কমল’ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন জাতীয়তাবাদী চর্চাকে পৃষ্ঠপোষকতা করলে দলীয় আদর্শ আরও প্রসারিত হবে — প্রেস ক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি রাজধানীতে বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসব, ২৮ গুণীজন পেলেন মানবাধিকার সম্মাননা ঐতিহ্যের কনিকান্দা: অবহেলায় ধুঁকছে ১৯৬১ সালের ৩ সরকারি ভবন, ভোটকেন্দ্র ফেরানোর দাবিতে ফুঁসছে এলাকাবাসী ভাঙ্গায় রেকর্ড সংশোধনী মামলা করায় ক্ষোভ: ওৎ পেতে ওপেন হার্ট সার্জারির রোগী মার্কিন প্রবাসীকে পিটিয়ে জখম করল ভাতিজা! চার চেয়ারম্যানের ঐক্যে আজিমনগরের ‘চেয়ারম্যানের হাটে’ রেকর্ড পশুর আমদানি, খুশি ক্রেতা-বিক্রেতা কালামৃধায় দাদন মীরের পক্ষে উঠান বৈঠকে গণজোয়ার, চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ ৬ জনের কাজ করছেন ২ শিক্ষক, নেই দপ্তরিও: ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে ধানমত্তা স্কুলের পাঠদান ভাঙ্গায় সালিশের রায় অমান্য: আজীবন বহিষ্কৃত শাহামিয়া এখনো দেওড়া বাজারে, ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী ভাঙ্গায় বর্ণিল আয়োজনে ভূমিসেবা মেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন

ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৮; দুই পক্ষের মামলা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের কামারবাড়ি সংলগ্ন বটতলা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৮ জুন) সোরহাব শেখের বাড়িতে তাঁর ছেলে লাভলু শেখের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে গ্রামবাসী ও বরযাত্রীদের আপ্যায়নের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন এতে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর ও হট্টগোলের ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

শাহীদা বেগম দাবি করেন, তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দাওয়াত পেয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। খাওয়ার সময় তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়। তিনি প্রতিবাদ করলে তাঁর ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।
তিনি বলেন, “আমরা খেতে গিয়েছিলাম। পরে আমার ছেলে প্রতিবাদ করলে অনেক লোক মিলে তাকে মারধর করে। আমাকে এবং আমার পুত্রবধূকেও মারধর করা হয়েছে।”

শাহীদা বেগমের পুত্রবধূ স্বপ্না বেগম বলেন, তাঁরা দাওয়াত পেয়ে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। খাবার খাওয়ার সময় তাঁর শাশুড়ির সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
তিনি বলেন, “আমার স্বামী প্রতিবাদ করলে কয়েকজন তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। পরে তাঁর কলার ধরা হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে হামলা শুরু হয়।”

সোরহাব শেখের পরিবারের এক নারী সদস্য দাবি করেন, খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে প্রথমে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
তিনি বলেন, “আমার স্বামীকে ধাক্কা দেওয়া হলে আমার ছেলে প্রতিবাদ করে। পরে তাকে ঘিরে ধরা হয় এবং মারধর করা হয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

রুনা বেগম বলেন, “তারা আমাদের বাড়িতে এসে নগদ প্রায় দেড় লাখ টাকা ও দেড় ভরি স্বর্ণ নিয়ে গেছে। আমাকে শেকল দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়েছে।”
রুনা বেগম আরও অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনায় হান্নান, রুহুল আমিন, হিরোন, ইউনুস, হযরত মল্লিকসহ কয়েকজন জড়িত ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে নাম উল্লেখ হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রুহুল আমিন মাতুব্বর ও ইউনুস মাতুব্বর অভিযোগ অস্বীকার করে পৃথকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রুহুল আমিন মাতুব্বর বলেন, তিনি ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না এবং ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি বলেন, “আমি ওই অনুষ্ঠানে যাইনি, আমাকে কোনো দাওয়াতও দেওয়া হয়নি। অথচ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করছি।”

ইউনুস মাতুব্বর বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, পরে খবর পেয়ে সেখানে যান এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
তিনি বলেন, “আমি কোনো ঝামেলায় জড়িত ছিলাম না। বরং সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি।”

তোতা মাতুব্বর দাবি করেন, ঘটনাস্থল থেকে ফেরার পথে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। তাঁর ভাষ্য, হামলাকারীদের হাতে দা, চেইন ও শাবলের মতো অস্ত্র ছিল।

রিপন মাতুব্বর দাবি করেন, আরিফ মাতুব্বরের পা সংঘর্ষে ভাঙেনি; বরং আগের একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তিনি আহত হয়েছিলেন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, ঘটনার পর উভয় পক্ষ থানায় পৃথকভাবে মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও মামলার কারণে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। তবে পুলিশি নজরদারিতে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট